রাজশাহীর তানভীর হোসেন একজন মাঝারি আয়ের চাকরিজীবী। সপ্তাহান্তে খেলাধুলা দেখা তাঁর সবচেয়ে প্রিয় অভ্যাস। বছর দুয়েক আগে তিনি ইউরোপিয়ান ফুটবল ভালো চেনার কারণে একটি সাধারণ বেটিং সাইটে অ্যাকাউন্ট খুলেছিলেন। কিন্তু ইন্টারফেস বাংলায় ছিল না, পেমেন্ট করা ঝামেলার ছিল এবং জিতলেও টাকা তুলতে সপ্তাহ লেগে যেত।
এরপর এক বন্ধুর কাছ থেকে k777 com-এর কথা জানেন। প্রথম দিনই পার্থক্য বুঝতে পারলেন – সবকিছু বাংলায়, বিকাশে ডিপোজিট মাত্র দুই মিনিটে এবং কাস্টমার সাপোর্ট বাংলায় সাথে সাথে জবাব দেয়।
আগের সাইটে জিতলেও মনে হতো কোথাও একটা ধাঁধার মধ্যে আছি। k777 com-এ এসে মনে হলো বাড়িতে ফিরে এলাম। সবকিছু চেনা, সবকিছু সহজ।
যেভাবে ক্রিকেটে আগ্রহ জন্মাল
তানভীর স্বীকার করেন যে ক্রিকেট তাঁর কাছে আগে শুধু "দেশের খেলা" ছিল, বেটিংয়ের জন্য নয়। কিন্তু k777 com-এর বিশ্লেষণ বিভাগে প্রতিদিন নতুন ক্রিকেট বিশ্লেষণ পড়তে পড়তে তিনি বুঝতে পারলেন যে ক্রিকেটে ডেটা অনেক বেশি পাওয়া যায় এবং ফুটবলের চেয়ে অনেক বেশি মার্কেট আছে।
প্রথম তিন মাস তিনি শুধু ১০-৫০ টাকার বেট করেছেন – কোনো বড় স্টেক নয়। এই সময়টা তিনি শেখার জন্য ব্যবহার করেছেন। কোন মার্কেটে কেমন অডস আসে, পিচ রিপোর্ট কীভাবে ফলাফলকে প্রভাবিত করে, কোন দলের মাঝের ওভারের রান রেট কেমন – এসব ধীরে ধীরে বুঝতে শুরু করেন।
কৌশল যেভাবে তৈরি হলো
চতুর্থ মাস থেকে তানভীর তাঁর নিজের একটি পদ্ধতি তৈরি করলেন। প্রতিটি ম্যাচের আগে তিনি তিনটি জিনিস দেখেন:
- দলের সাম্প্রতিক ফর্ম: শেষ পাঁচ ম্যাচে দলের পারফরম্যান্স কেমন ছিল।
- হেড-টু-হেড রেকর্ড: এই দুই দল আগে কোথায় খেলেছে এবং ফলাফল কী ছিল।
- পিচ ও আবহাওয়া: মাঠের ধরন ব্যাটিং না বোলিং সহায়ক কিনা।
এই তিনটি তথ্য মিলিয়ে তিনি সিদ্ধান্ত নেন কোন মার্কেটে বেট করবেন এবং কত স্টেক রাখবেন। k777 com-এর বিশ্লেষণ বিভাগ এই তথ্যগুলো সহজে পেতে সাহায্য করে।
ফলাফল কী হলো?
ছয় মাসের মধ্যে তানভীরের বেটিং পোর্টফোলিওতে ১৪২% রিটার্ন এসেছে। তিনি এখন প্রতি সপ্তাহে গড়ে ৫-৭টি বেট করেন এবং সপ্তাহে গড়ে ৭৮% বেট জেতেন। তাঁর সবচেয়ে বড় একক জয় ছিল বাংলাদেশ-ভারত T20 ম্যাচে ওভার/আন্ডার বেটে – ৩০০ টাকায় ৫৮৫ টাকা।